ঢাকা , বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজনৈতিক দলের কোনো সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাজধানীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ঈদের দিনেও ঝোড়ো বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান Logo পদ্মা সেতুতে একদিনে টোল আদায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা Logo ফরিদপুরে প্রজন্ম বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কেন্দ্র করে আজও ২৬ ফ্লাইট বাতিল Logo ২১ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক Logo লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের Logo বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত Logo ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও গ্যাসোলিন কিনছে সরকার

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও গ্যাসোলিন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। রোববার (১৫ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি সূত্র বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাহাজের মাধ্যমে সরাসরি এসব জ্বালানি দেশে আনা হবে। প্রশাসনের আশা, এতে বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে এবং সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে ঘিরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে সরবরাহ ব্যবস্থায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে জ্বালানি আমদানির জন্য ১৭টি জাহাজের এলসি খোলা হলেও এখন পর্যন্ত দেশে এসেছে মাত্র ৪টি জাহাজের জ্বালানি। আরও ৬টি এলসির জ্বালানি সরবরাহ অপেক্ষমাণ রয়েছে এবং ৭টি সরবরাহের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে এপ্রিল মাসে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ১৫টি জাহাজের এলসি খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি পার্সেল সরবরাহে সম্মতি মিললেও নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৩টি জাহাজ। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে সৌদি প্রিন্সের কোম্পানি পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনালকে নির্বাচিত করা হয়। তাদের কাছ থেকেই এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন কেনা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” তারা আরও জানান, বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা পূরণই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই অতিরিক্ত আমদানির ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি পাবে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক দলের কোনো সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে ডিজেল ও গ্যাসোলিন কিনছে সরকার

আপডেট সময় ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সৌদি আরব থেকে জরুরি ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ ডিজেল ও গ্যাসোলিন আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা। রোববার (১৫ মার্চ) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সরকারি সূত্র বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং দেশের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনায় দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জাহাজের মাধ্যমে সরাসরি এসব জ্বালানি দেশে আনা হবে। প্রশাসনের আশা, এতে বাজারে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে এবং সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে ঘিরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতার প্রভাব পড়ছে সরবরাহ ব্যবস্থায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে জ্বালানি আমদানির জন্য ১৭টি জাহাজের এলসি খোলা হলেও এখন পর্যন্ত দেশে এসেছে মাত্র ৪টি জাহাজের জ্বালানি। আরও ৬টি এলসির জ্বালানি সরবরাহ অপেক্ষমাণ রয়েছে এবং ৭টি সরবরাহের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এদিকে এপ্রিল মাসে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ১৫টি জাহাজের এলসি খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ১৩টি পার্সেল সরবরাহে সম্মতি মিললেও নিশ্চিত হয়েছে মাত্র ৩টি জাহাজ। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করে সরকার।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রথমে মধ্যপ্রাচ্য, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই শেষে সৌদি প্রিন্সের কোম্পানি পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনালকে নির্বাচিত করা হয়। তাদের কাছ থেকেই এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও ২৫ হাজার মেট্রিক টন গ্যাসোলিন কেনা হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তাই বিকল্প উৎস থেকে দ্রুত জ্বালানি আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।” তারা আরও জানান, বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং দৈনন্দিন জ্বালানি চাহিদা পূরণই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই অতিরিক্ত আমদানির ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তি পাবে এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে।