ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: ফখরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার রাজধানীর শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় বললেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপে আমরা অংশ নিয়েছি। কিছু বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, তবুও স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে সবই বাস্তবায়ন করতে হবে, এটা ঠিক নয়। উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ- এই দুই বিষয়েই আমরা একমত হইনি। সব সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের নামে অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে আন্দোলন করছে, এর উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথাটা হলো জুলাই সনদের প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ছিলাম। আমাদের যে স্বাক্ষর করেছেন আমি আর সালাউদ্দিন সাহেব সব স্বাক্ষর করলাম। তার আগে জুলাই সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটাও আমরা একসঙ্গে ড্রাফ দিয়েছি। আমরা তো পরিষ্কার করে বলেছিলাম যে আলোচনার মধ্যে যেগুলোতে আমরা একমত হব না সেগুলোতে আমরা নোট অব ডিসেন্ট দেব। জুলাই সনদের মধ্যে তা আছে। তখনই কিন্তু আমরা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলাম এ বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সে সময়ে সেখানে কতগুলো বিষয় থাকলো যেটা আমরা একমত হইনি। কিন্তু তারা বলে দিল যে এগুলো হবে আর এই নির্বাচনের পরেই যারা নির্বাচিত হবেন, তারা আপনার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবেন। আমরা এটার সঙ্গে একমত একেবারেই করিনি। কারণ এটার কোনো নজির নেই। আমরা বলেছিলাম নির্বাচন হবে, নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ গঠন করবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। যা যা পরিবর্তন আনার বা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে তারাই সেটা করবে। তো সেই সব বিষয় নিয়ে এখন একেবারেই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফরিদপুরে সংঘর্ষে আহত ১০, বাড়িঘর ভাঙচুর

পিআর পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি: ফখরুল

আপডেট সময় ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ শনিবার রাজধানীর শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) অডিটোরিয়ামে জিয়া পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় বললেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ এবং আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে সংসদের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাবে বিএনপি কখনোই একমত হয়নি।

 

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপে আমরা অংশ নিয়েছি। কিছু বিষয়ে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছি, তবুও স্বাক্ষর করেছি। কিন্তু এখন বলা হচ্ছে সবই বাস্তবায়ন করতে হবে, এটা ঠিক নয়। উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ- এই দুই বিষয়েই আমরা একমত হইনি। সব সিদ্ধান্ত সংসদের মাধ্যমেই হওয়া উচিত।”

সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি সবসময়ই সংস্কারের পক্ষে। কিন্তু সংস্কারের নামে অন্য রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে জামায়াত যে আন্দোলন করছে, এর উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করা। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় কথাটা হলো জুলাই সনদের প্রত্যেকটা জায়গায় আমরা ছিলাম। আমাদের যে স্বাক্ষর করেছেন আমি আর সালাউদ্দিন সাহেব সব স্বাক্ষর করলাম। তার আগে জুলাই সনদ ঘোষণা হয়েছে, সেটাও আমরা একসঙ্গে ড্রাফ দিয়েছি। আমরা তো পরিষ্কার করে বলেছিলাম যে আলোচনার মধ্যে যেগুলোতে আমরা একমত হব না সেগুলোতে আমরা নোট অব ডিসেন্ট দেব। জুলাই সনদের মধ্যে তা আছে। তখনই কিন্তু আমরা প্রেস কনফারেন্স করে বলেছিলাম এ বিষয়ে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সে সময়ে সেখানে কতগুলো বিষয় থাকলো যেটা আমরা একমত হইনি। কিন্তু তারা বলে দিল যে এগুলো হবে আর এই নির্বাচনের পরেই যারা নির্বাচিত হবেন, তারা আপনার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করবেন। আমরা এটার সঙ্গে একমত একেবারেই করিনি। কারণ এটার কোনো নজির নেই। আমরা বলেছিলাম নির্বাচন হবে, নির্বাচিত সদস্যরা সংসদ গঠন করবে, তারাই সিদ্ধান্ত নেবে। যা যা পরিবর্তন আনার বা সংশোধন করার প্রয়োজন হলে তারাই সেটা করবে। তো সেই সব বিষয় নিয়ে এখন একেবারেই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে।