ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বনানীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ Logo মধ্যপ্রাচ্য সংকট চলাকালীন ভারত সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঈদুল আজহা উপলক্ষে কর্মীদের জন্য ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা Logo সরকারি অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন: মির্জা ফখরুল Logo ডিবির অভিযানে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ লেনদেন চক্রের ৬ চীনা নাগরিকসহ ৯ জন আটক Logo রাজশাহীর লিচু চাষ ঘিরে ৫৬ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা Logo ক্রমেই বাড়ছে বরিশালে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা Logo ২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ Logo ৬ মাসে ভোটার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে, মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ Logo সিটি নির্বাচনে জামায়াতের একক কৌশল, ঘোষণা ১২ মেয়র প্রার্থী
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায়: রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।

এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বনানীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড মামলায়: রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল

আপডেট সময় ০১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বুধবার (৬ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ শুনানিকালে তার পক্ষ থেকে এই অবস্থান জানানো হয়।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার তার জামিনের আবেদন করেন এবং আদালতকে জানান, তার মক্কেল মামলায় রাজসাক্ষী হতে চান।

এই ঘটনা শাপলা চত্বরের বিতর্কিত সহিংস ঘটনার মামলাকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সহিংসতা ও প্রাণহানির অভিযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শুনানিতে আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি বিস্তারিত পর্যালোচনা করে। তবে আদালত সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। ফলে তিনি বর্তমানে মামলার আসামি হিসেবেই বিচারিক প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার প্রস্তাব বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কারণ এটি ঘটনার অভ্যন্তরীণ তথ্য উদঘাটনে সহায়তা করে। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, “মামলার বিচারিক অগ্রগতি এবং প্রমাণ বিশ্লেষণের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

শাপলা চত্বরের ঘটনাটি বাংলাদেশে এখনো একটি স্পর্শকাতর রাজনৈতিক ও বিচারিক ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হয়। ফলে নতুন এই আবেদন মামলাটির ভবিষ্যৎ গতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে আবারও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।