ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রান্তিক খামারিদের বছরে সবচেয়ে বড় আয়ের খাত কোরবানির পশু পালন: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী Logo ছয় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া Logo ঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ Logo ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে যমুনা সেতুতে সর্বোচ্চ নজরদারি Logo ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ঢাকা-গাজীপুরসহ সহ দেশের নানা এলাকা Logo ব্রেন টিউমারের কারণ, উপসর্গ ও সতর্ক সংকেত Logo সারারাত কান্নায় ভেঙে পড়েছিলাে: নেইমার Logo ঠোঁটের সৌন্দর্যে লিপস্টিক, তবে আছে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও Logo ক্রমবর্ধমান হত্যাকাণ্ডে নাজুক হয়ে পড়ছে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি Logo ঈদের আনন্দে দর্শনার্থীদের বরণে প্রস্তুত রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১২ জনের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৮৬ জন। আর সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৩৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২০৮ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে। গত একদিনে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১১ জন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৫৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই শিশু। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপও বাড়ছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৯১২ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে দাগ বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রান্তিক খামারিদের বছরে সবচেয়ে বড় আয়ের খাত কোরবানির পশু পালন: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১২ জনের

আপডেট সময় ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৮৬ জন। আর সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৩৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২০৮ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে। গত একদিনে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১১ জন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৫৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই শিশু। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপও বাড়ছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৯১২ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে দাগ বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।