ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo মাসের পরের অংশে ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি ভয়াবহ কালবৈশাখী আঘাত আনতে পারে Logo পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ২,০২৮ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নিয়েছে সরকার Logo গ্রীষ্মের দাবদাহে আরাম দেবে ঠান্ডা ডাব-কফির শেক Logo দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো আবার সচল হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে Logo ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-এ আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন Logo প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চলছে একনেকের বৈঠক Logo উচ্ছেদের কিছুদিন পরই ফের দখলে চলে যাচ্ছে ফুটপাত, থামছে না হকারদের Logo সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যার রোহমর্ষক বর্ণনা দিলো হত্যাকারী চাচা জাকির Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে শিশুদের মাদক থেকে বিরত রাখা জরুরি Logo খুলনা অঞ্চলে বোরো ফসল ঘরে তুলতে পুরোদমে চলছে কৃষকদের
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১২ জনের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৮৬ জন। আর সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৩৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২০৮ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে। গত একদিনে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১১ জন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৫৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই শিশু। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপও বাড়ছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৯১২ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে দাগ বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাসের পরের অংশে ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি ভয়াবহ কালবৈশাখী আঘাত আনতে পারে

বাড়ছে হামের সংক্রমণ, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ১২ জনের

আপডেট সময় ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

দেশে হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫২৪ জনের শরীরে হাম বা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম ও হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছেন ২৮৬ জন। আর সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ২৩৮ জন। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজার ৪৯৮ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামরোগী শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২০৮ জন।

মৃত্যুর পরিসংখ্যানও বাড়ছে। গত একদিনে নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১১ জন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৫৭ জন। আর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ২৭৯ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের বেশিরভাগই শিশু। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা গেছে, ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া বরিশাল, খুলনা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগেও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপও বাড়ছে। ১৫ মার্চ থেকে ৭ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩১ হাজার ৯১২ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৮ হাজার ২৩৮ জন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের টিকাদান কর্মসূচিতে ঘাটতি এবং সচেতনতার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তারা অভিভাবকদের শিশুদের সময়মতো টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, শরীরে লালচে দাগ বা শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সারাদেশে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।