ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, “ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব। জামিনে থাকা সন্ত্রাসীরা পুনরায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত র‌্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে র‌্যাব কাজ শুরু করেছে। খুনিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের সামনের রাস্তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা মাস্ক ও ক্যাপ পরিহিত দুই ঘাতক অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব।

‘খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তিনি অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি মোহাম্মদপুর অঞ্চলের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা দীর্ঘদিনের পুরনো শত্রুর জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে’-উল্লেখ করেন তিনি।

এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে র‌্যাব। তারই অংশ হিসেবে ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পোশাক এবং থানা থেকে লুণ্ঠিত হ্যান্ডকাফ, বিদেশি পিস্তল ও র‌্যাবের কটি ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু ও জননিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীতে টহল এবং তল্লাশি কার্যক্রম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

‘টিটন হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা রুখতে বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে’-যোগ করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পবিত্র ঈদ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিমকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

জামিনে ছাড়া পাওয়া শীর্ষ অপরাধীদের ওপর কড়া নজর রাখছে র‌্যাব

আপডেট সময় ০৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আজ শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, “ঢাকার নিউমার্কেট এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব। জামিনে থাকা সন্ত্রাসীরা পুনরায় কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কি না, তা গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”

সংবাদ সম্মেলনে নবনিযুক্ত র‌্যাবের মুখপাত্র উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে র‌্যাব কাজ শুরু করেছে। খুনিদের শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল রাত ৮টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ হলের সামনের রাস্তায় শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা মাস্ক ও ক্যাপ পরিহিত দুই ঘাতক অত্যন্ত কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। টিটন হত্যাকাণ্ডের পর সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পাওয়া অন্যান্য শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু করেছে র‌্যাব।

‘খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন ২০০১ সালে সরকার ঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক কারাগারে থাকার পর ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই তিনি অনেকটা আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি মোহাম্মদপুর অঞ্চলের আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী তোফায়েল আহমেদ জোসেফের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল বা দীর্ঘদিনের পুরনো শত্রুর জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে’-উল্লেখ করেন তিনি।

এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, আইনশৃঙ্খলার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে র‌্যাব। তারই অংশ হিসেবে ডেমরা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পোশাক এবং থানা থেকে লুণ্ঠিত হ্যান্ডকাফ, বিদেশি পিস্তল ও র‌্যাবের কটি ব্যবহার করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া, আসন্ন বিভিন্ন জাতীয় ইস্যু ও জননিরাপত্তার স্বার্থে রাজধানীতে টহল এবং তল্লাশি কার্যক্রম দ্বিগুণ করা হয়েছে।

‘টিটন হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল হোতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে এবং সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতা রুখতে বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে’-যোগ করেন তিনি।