ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
অধিবেশন শুরুর পর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব। এদিনের কার্যসূচিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশ্নোত্তর ছাড়াও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস নিষ্পত্তি এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা রয়েছে। সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা এবং সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশনে উপস্থিত আছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। সংবিধানের ৭৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। সেই অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদের প্রথম দিনে ভাষণ দেন।
তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে ঘিরে সংসদ কক্ষে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়। ভাষণের প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি এবং ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করেন। স্পিকারের আহ্বান সত্ত্বেও তারা প্রতিবাদ অব্যাহত রাখেন এবং একপর্যায়ে অধিবেশন কক্ষ থেকে ওয়াকআউট করেন।
জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন চলবে বুধবার (৩০ এপ্রিল) পর্যন্ত। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন বসবে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা করারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ৮টি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া বিধি ৭১ অনুযায়ী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিস এবং সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের জন্য ৯৭টি নোটিস জমা পড়েছে।
গত বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের শপথ গ্রহণ কক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন।
নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট গ্রহণ হয়। এর মধ্যে ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ফল স্থগিত রয়েছে দুটি আসনে। ঘোষিত ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ২০৯টি আসনে জয়ী হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পায় ৬৮টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি পায় ৬টি আসন এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পায় ২টি আসন। এছাড়া কয়েকটি দল একটি করে আসন পায় এবং সাতটি আসনে জয়ী হন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

নেতানিয়াহুকে খুঁজে বের করে হত্যার ঘোষণা ইরানি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর
অনলাইন ডেস্ক 


















