ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস Logo মাসের পরের অংশে ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি ভয়াবহ কালবৈশাখী আঘাত আনতে পারে Logo পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ২,০২৮ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নিয়েছে সরকার Logo গ্রীষ্মের দাবদাহে আরাম দেবে ঠান্ডা ডাব-কফির শেক Logo দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো আবার সচল হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে Logo ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-এ আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন Logo প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চলছে একনেকের বৈঠক Logo উচ্ছেদের কিছুদিন পরই ফের দখলে চলে যাচ্ছে ফুটপাত, থামছে না হকারদের Logo সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যার রোহমর্ষক বর্ণনা দিলো হত্যাকারী চাচা জাকির Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে শিশুদের মাদক থেকে বিরত রাখা জরুরি
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

স্পিকারের ভাষ্য, জুলাই জাদুঘরে শেখ হাসিনা থাকবেন ‘ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক’ অধ্যায় হিসেবে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে নির্মাণাধীন জাদুঘরকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক স্থায়ী দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তার ভাষায়, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু আন্দোলনের ইতিহাসই জানাবে না, বরং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিরোধের শক্তিও মনে করিয়ে দেবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিকার। এ সময় তিনি বলেন, “এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, মানুষ এখানে এসে মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাবে। বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে সহ্য করে না, এই জাদুঘর সেটাই প্রমাণ করবে।”

স্পিকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও দলিল সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে রয়েছে আন্দোলনে নিহতদের ব্যবহৃত সামগ্রী, তাদের পরিবারের কাছে লেখা শেষ চিঠি, আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র এবং রাজপথের গণসমাবেশের নানা দৃশ্য। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার “হত্যার নির্দেশের কল রেকর্ডও” সেখানে সংরক্ষিত আছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “যেভাবে তরুণরা গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, তা সারা বিশ্বের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। শহীদদের বুক পকেটে রাখা চিঠিগুলো দেখলে অশ্রু ধরে রাখা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে “পাতানো নির্বাচন ও লুটপাটের রাজনীতি” দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই বাস্তবতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তির প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে এই জুলাই জাদুঘর।”

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় জানান, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ অথবা আগস্টের ১ তারিখের মধ্যে জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্পিকার জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

তার ভাষায়, “গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেই ইতিহাস মনে করিয়ে দেবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস

স্পিকারের ভাষ্য, জুলাই জাদুঘরে শেখ হাসিনা থাকবেন ‘ইতিহাসের এক কলঙ্কজনক’ অধ্যায় হিসেবে

আপডেট সময় ২৪ ঘন্টা আগে

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি নিয়ে নির্মাণাধীন জাদুঘরকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক স্থায়ী দলিল হিসেবে উল্লেখ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তার ভাষায়, এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শুধু আন্দোলনের ইতিহাসই জানাবে না, বরং স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিরোধের শক্তিও মনে করিয়ে দেবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিকার। এ সময় তিনি বলেন, “এই জাদুঘর যতদিন থাকবে, মানুষ এখানে এসে মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা ও তার দলের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাবে। বাংলাদেশের মানুষ কোনো স্বৈরাচারকে সহ্য করে না, এই জাদুঘর সেটাই প্রমাণ করবে।”

স্পিকারের ভাষ্য অনুযায়ী, জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও দলিল সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেখানে রয়েছে আন্দোলনে নিহতদের ব্যবহৃত সামগ্রী, তাদের পরিবারের কাছে লেখা শেষ চিঠি, আন্দোলনের দুর্লভ আলোকচিত্র এবং রাজপথের গণসমাবেশের নানা দৃশ্য। তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার “হত্যার নির্দেশের কল রেকর্ডও” সেখানে সংরক্ষিত আছে।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “যেভাবে তরুণরা গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছে, তা সারা বিশ্বের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। শহীদদের বুক পকেটে রাখা চিঠিগুলো দেখলে অশ্রু ধরে রাখা কঠিন।”

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে “পাতানো নির্বাচন ও লুটপাটের রাজনীতি” দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই বাস্তবতার বিরুদ্ধে মানুষের প্রতিবাদের বহিঃপ্রকাশ।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্তির প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠবে এই জুলাই জাদুঘর।”

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় জানান, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ অথবা আগস্টের ১ তারিখের মধ্যে জাদুঘরটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্পিকার জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাঙালির দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিক ইতিহাস এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

তার ভাষায়, “গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। এই জাদুঘর ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেই ইতিহাস মনে করিয়ে দেবে।”