ঢাকা , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের Logo বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত Logo ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ঈদ যাত্রা: সদরঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় Logo তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকার ঘোষণা জামায়াত আমিরের Logo কৃষক কার্ড বিতরণের সামগ্রিক বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি দৃশ্যমান করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo আমিরাতের প্রধান বন্দরের কাছে তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা Logo ঈদযাত্রা: আনন্দের পথে অনিশ্চয়তার ছায়া Logo ‘দম’র প্রচারণায় স্টেডিয়ামে পূজা-নিশো Logo আফগানিস্তানের হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ৪০০
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে লারিজানিকে হত্যার এই পদক্ষেপের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং হামলাকারীদের জন্য তা হবে বড় ধরনের অনুশোচনার কারণ।

বিবৃতিতে সেনাপ্রধান আমির হাতামি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে হারানোর ক্ষতি অপূরণীয় হলেও ইরান এর জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তিনি লারিজানিকে একজন বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পরিণাম হবে ভয়াবহ। তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া বার্তার পর থেকেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ডস আজ বুধবার এক জরুরি ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে শহীদ আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের হত্যার সরাসরি প্রতিশোধ নিতে তারা ইতোমধ্যে মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী এই হামলাটি ছিল লারিজানি হত্যার বিপরীতে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ।

দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে আলী লারিজানি ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যু এবং পরবর্তী এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব সম্প্রদায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানালেও তেহরানের সামরিক অবস্থান এখন পর্যন্ত বেশ অনমনীয় দেখা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় ৬ মিনিট আগে

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর এবং চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

ইরানের সেনাপ্রধান আমির হাতামি এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে লারিজানিকে হত্যার এই পদক্ষেপের বিপরীতে ইরানের প্রতিক্রিয়া হবে অত্যন্ত শক্তিশালী এবং হামলাকারীদের জন্য তা হবে বড় ধরনের অনুশোচনার কারণ।

বিবৃতিতে সেনাপ্রধান আমির হাতামি আরও উল্লেখ করেন যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারিকে হারানোর ক্ষতি অপূরণীয় হলেও ইরান এর জবাব দিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। তিনি লারিজানিকে একজন বীর হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন যে এই ধরনের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের পরিণাম হবে ভয়াবহ। তেহরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া বার্তার পর থেকেই ওই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।

এদিকে ইরানের শক্তিশালী সামরিক শাখা রেভল্যুশনারি গার্ডস আজ বুধবার এক জরুরি ঘোষণা দিয়েছে। তারা জানিয়েছে যে শহীদ আলী লারিজানি ও তাঁর সঙ্গীদের হত্যার সরাসরি প্রতিশোধ নিতে তারা ইতোমধ্যে মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বাহিনীটির দাবি অনুযায়ী এই হামলাটি ছিল লারিজানি হত্যার বিপরীতে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ার একটি অংশ।

দ্য গার্ডিয়ানের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে আলী লারিজানি ইরানের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মৃত্যু এবং পরবর্তী এই পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধকে এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড়ে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব সম্প্রদায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানালেও তেহরানের সামরিক অবস্থান এখন পর্যন্ত বেশ অনমনীয় দেখা যাচ্ছে।