ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo তাহলে কি বিশ্বকাপ দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন ভারতীয়রা? Logo এবার অস্ট্রিয়ার পথে ‘রইদ’ Logo সবুজবাগ থানা পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্র ও মোটরসাইকেলসহ তিন ছিনতাইকারী গ্রেফতার Logo বে টার্মিনাল প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলার দিতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর Logo ডুয়েট ক্যাম্পাসে সর্বাত্মক শাটডাউনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে Logo দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির আভাস, খুলনা বিভাগে মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত Logo শিশুদের সান্নিধ্যে প্রাণবন্ত মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী Logo সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলির জবাবে তাৎক্ষণিক পাল্টা ব্যবস্থা নেয় বিজিবি Logo মার্কিন ক্যালিফোর্নিয়ার এক মসজিদে বন্দুক হামলায় নিহত পাঁচজন Logo ফুটপাত হকারদের বরাদ্দকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

মার্কিন ক্যালিফোর্নিয়ার এক মসজিদে বন্দুক হামলায় নিহত পাঁচজন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারে দুই কিশোরের বন্দুক হামলায় অন্তত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে মসজিদের এক নিরাপত্তাকর্মীসহ তিনজন রয়েছেন। পরে হামলাকারী দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যাদের নিজেদের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মেক্সিকো সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই ইসলামিক সেন্টারটি মূলত একটি ধর্মীয় স্কুল ও মসজিদের সমন্বিত কমপ্লেক্স। ঘটনার সময় সেখানে ক্লাস ও স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছিল। তবে হামলায় কোনো শিশু হতাহত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রতি বিদ্বেষ থেকেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তদন্তকারীরা এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য নিশ্চিত করতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইকে ইতোমধ্যে তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে।

স্যান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল বলেন, “প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা, হামলার পর দুই কিশোর নিজেদের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে।” তিনি আরও জানান, মসজিদের বাইরে একটি গাড়ি থেকে ১৭ ও ১৯ বছর বয়সী দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক তাহা হাসান বলেন, “আমরা এর আগে কখনও এমন ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হইনি। উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে হামলা সত্যিই ভয়াবহ ও বেদনাদায়ক।” কয়েক দিনের মধ্যেই ঈদুল আজহা সামনে থাকায় এ ঘটনায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, হামলার আগে একজন কিশোরের মা পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে তার ছেলে অস্ত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপরই শুরু হয় এই সহিংসতা। তদন্তকারীরা একটি নোটও পেয়েছেন, যেখানে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছিল বলে জানানো হয়েছে।

এফবিআই জানিয়েছে, ঘটনাটিকে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এক বিবৃতিতে বলেন, “এটি এমন একটি স্থান যেখানে পরিবার ও শিশুরা শান্তিপূর্ণভাবে আসে। এখানে এমন সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে “ভয়াবহ পরিস্থিতি” বলে মন্তব্য করেছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তাহলে কি বিশ্বকাপ দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন ভারতীয়রা?

মার্কিন ক্যালিফোর্নিয়ার এক মসজিদে বন্দুক হামলায় নিহত পাঁচজন

আপডেট সময় ১৬ ঘন্টা আগে

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের স্যান ডিয়েগো শহরের একটি ইসলামিক সেন্টারে দুই কিশোরের বন্দুক হামলায় অন্তত পাঁচ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে মসজিদের এক নিরাপত্তাকর্মীসহ তিনজন রয়েছেন। পরে হামলাকারী দুই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ, যাদের নিজেদের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মেক্সিকো সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই ইসলামিক সেন্টারটি মূলত একটি ধর্মীয় স্কুল ও মসজিদের সমন্বিত কমপ্লেক্স। ঘটনার সময় সেখানে ক্লাস ও স্বাভাবিক কার্যক্রম চলছিল। তবে হামলায় কোনো শিশু হতাহত হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের প্রতি বিদ্বেষ থেকেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে তদন্তকারীরা এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো উদ্দেশ্য নিশ্চিত করতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইকে ইতোমধ্যে তদন্তে যুক্ত করা হয়েছে।

স্যান ডিয়েগো পুলিশের প্রধান স্কট ওয়াল বলেন, “প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ধারণা, হামলার পর দুই কিশোর নিজেদের গুলিতে আত্মহত্যা করেছে।” তিনি আরও জানান, মসজিদের বাইরে একটি গাড়ি থেকে ১৭ ও ১৯ বছর বয়সী দুই হামলাকারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর ইসলামিক সেন্টারের পরিচালক তাহা হাসান বলেন, “আমরা এর আগে কখনও এমন ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হইনি। উপাসনালয়কে লক্ষ্য করে হামলা সত্যিই ভয়াবহ ও বেদনাদায়ক।” কয়েক দিনের মধ্যেই ঈদুল আজহা সামনে থাকায় এ ঘটনায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, হামলার আগে একজন কিশোরের মা পুলিশকে জানিয়েছিলেন যে তার ছেলে অস্ত্র নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়েছে। এরপরই শুরু হয় এই সহিংসতা। তদন্তকারীরা একটি নোটও পেয়েছেন, যেখানে ঘৃণামূলক বক্তব্য ছিল বলে জানানো হয়েছে।

এফবিআই জানিয়েছে, ঘটনাটিকে ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এক বিবৃতিতে বলেন, “এটি এমন একটি স্থান যেখানে পরিবার ও শিশুরা শান্তিপূর্ণভাবে আসে। এখানে এমন সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য।”

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘটনাটিকে “ভয়াবহ পরিস্থিতি” বলে মন্তব্য করেছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।