ফরিদপুরে হাম পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। জেলাজুড়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪৪ জন হাম রোগী শনাক্ত হলেও এই সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩ জুন পর্যন্ত ফরিদপুর জেলায় মোট হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৮২ জনে। আর চলতি বছরে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মোট ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে ফরিদপুর সদর উপজেলা। আক্রান্তের উপজেলাভিত্তিক বিবরণ মতে ফরিদপুর সদর: ৬৫৭জন(সর্বাধিক), সালথা: ২২ জন, বোয়ালমারী: ২১ জন, সদরপুর: ১৪ জন, ভাঙ্গা: ১২ জন, চরভদ্রাসন: ১১ জন, মধুখালী: ৬ জন, আলফাডাঙ্গা: ৫ জন,নগরকান্দা: ২ জন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ৪৪ জনের মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ১০ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩৩ জন ফরিদপুরের স্থানীয় বাসিন্দা এবং বাকি ১১ জন পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকে চিকিৎসার জন্য এসেছেন। বর্তমানে জেলার এই দুটি প্রধান হাসপাতালে মোট ১৫৯ জন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ৩৫ জন এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২৪ জন ভর্তি আছেন।
আক্রান্তের পাশাপাশি হাসপাতালগুলো থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যাও আশাব্যঞ্জক। গত ২৪ ঘণ্টায় দুটি হাসপাতাল থেকে মোট ৭৫ জন রোগী ছাড়পত্র পেয়েছেন। এর মধ্যে জেনারেল হাসপাতাল থেকে ৩০ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ৪৫ জন সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন।
ফরিদপুর জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলাজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় তাদের নিয়মিত নজরদারি, টিকাদান ও বিশেষ চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের অভিযানে চাপাতিসহ ছিনতাইকারী গ্রেফতার
শফিউল মঞ্জুর ফরিদঃ 
















