রাজধানীর দনিয়ার ব্রাইট স্কুলে এক ছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিনভর উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে স্কুলটির চেয়ারম্যান ও ব্রাইট গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
ঘটনার পর থেকে স্কুল প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দিনভর সেখানে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনতাকে অবস্থান নিতে দেখা যায়।
সকালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ শুরু হলেও দুপুরের পর পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন এবং অধ্যক্ষ মো. মাইদুর রহমান জেমকে ক্যাম্পাসের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ স্কুল প্রাঙ্গণে অবস্থান নেয়। পরে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে বলে জানা গেছে।
বিক্ষোভ চলাকালে শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। সেসব প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল— “আমার বোনকে মারলি কেন?”, “হত্যার বিচার চাই”, “লিটনের বিচার চাই”, “এক দফা এক দাবি”সহ বিভিন্ন স্লোগান।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের গণপিটুনিতে আহত হয়ে চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

৯১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১২ আইপিপির সঙ্গে সরকারের চুক্তি
রাজু আহমেদ 


















