ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বনানীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ Logo মধ্যপ্রাচ্য সংকট চলাকালীন ভারত সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঈদুল আজহা উপলক্ষে কর্মীদের জন্য ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা Logo সরকারি অর্থ ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন: মির্জা ফখরুল Logo ডিবির অভিযানে অনলাইন জুয়া ও অবৈধ লেনদেন চক্রের ৬ চীনা নাগরিকসহ ৯ জন আটক Logo রাজশাহীর লিচু চাষ ঘিরে ৫৬ কোটি টাকার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা Logo ক্রমেই বাড়ছে বরিশালে বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা Logo ২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ Logo ৬ মাসে ভোটার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে, মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ Logo সিটি নির্বাচনে জামায়াতের একক কৌশল, ঘোষণা ১২ মেয়র প্রার্থী
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিতে হবে ‘অসম্ভব’ যুদ্ধ বা ‘অলাভজনক’ চুক্তির একটি: ইরানি গার্ড বাহিনী

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী রবিবার জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এখন দুটি কঠিন পরিস্থিতির যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে, হয় তাদের একটি ‘অসম্ভব’ সামরিক অভিযানে নামতে হবে, আর না হয় ইরানের সাথে একটি ‘খারাপ’ বা অলাভজনক চুক্তিতে আসতে হবে।

ফব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ গত ৮ এপ্রিল থেকে থমকে আছে। এর মাঝে পাকিস্তানে একবার শান্তি আলোচনার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

বর্তমানে আলোচনা পুরোপুরি স্থবির। এর প্রধান কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ জারি করেছে, আর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ করে রেখেছে।

তেহরান থেকে এএফপি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শেয়ার করা বিপ্লবী গার্ডের গোয়েন্দা বিভাগের এক পোস্টের বরাতে জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখন ‘একটি অসম্ভব সামরিক অভিযান অথবা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে একটি প্রতিকূল চুক্তির মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ফুরিয়ে আসছে। ওয়াশিংটনের প্রতি চীন, রাশিয়া ও ইউরোপের মনোভাবের পরিবর্তন এবং নৌ-অবরোধ নিয়ে ইরানের দেওয়া নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ‘ডেডলাইন’ মার্কিন প্রশাসনকে বেশ চাপে ফেলেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ ইরানের একটি প্রস্তাবের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরান আলোচনার জন্য এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া, মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরান ও লেবাননে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার শর্ত দিয়েছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, তিনি ইরানের প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখবেন। তবে তার মতে, এই প্রস্তাব মেনে নেওয়াটা প্রায় অসম্ভব।

শনিবার ইরানের তাসনিম ও ফারস নিউজ এজেন্সি এই প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলো প্রকাশ করে।

তাসনিম জানায়, ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সব বিরোধ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে। এবারের আলোচনার লক্ষ্য কেবল ‘যুদ্ধবিরতি বাড়ানো’ নয়, বরং সরাসরি ‘যুদ্ধ শেষ করা’ হওয়া উচিত।

ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইরানের চারপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া, ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বনানীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও মাদকসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রকে বেছে নিতে হবে ‘অসম্ভব’ যুদ্ধ বা ‘অলাভজনক’ চুক্তির একটি: ইরানি গার্ড বাহিনী

আপডেট সময় ০৩:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী রবিবার জানিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এখন দুটি কঠিন পরিস্থিতির যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে, হয় তাদের একটি ‘অসম্ভব’ সামরিক অভিযানে নামতে হবে, আর না হয় ইরানের সাথে একটি ‘খারাপ’ বা অলাভজনক চুক্তিতে আসতে হবে।

ফব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ গত ৮ এপ্রিল থেকে থমকে আছে। এর মাঝে পাকিস্তানে একবার শান্তি আলোচনার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

বর্তমানে আলোচনা পুরোপুরি স্থবির। এর প্রধান কারণ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ জারি করেছে, আর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী প্রায় বন্ধ করে রেখেছে।

তেহরান থেকে এএফপি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে শেয়ার করা বিপ্লবী গার্ডের গোয়েন্দা বিভাগের এক পোস্টের বরাতে জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এখন ‘একটি অসম্ভব সামরিক অভিযান অথবা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সাথে একটি প্রতিকূল চুক্তির মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হবে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ফুরিয়ে আসছে। ওয়াশিংটনের প্রতি চীন, রাশিয়া ও ইউরোপের মনোভাবের পরিবর্তন এবং নৌ-অবরোধ নিয়ে ইরানের দেওয়া নির্দিষ্ট সময়সীমা বা ‘ডেডলাইন’ মার্কিন প্রশাসনকে বেশ চাপে ফেলেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’ ইরানের একটি প্রস্তাবের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, তেহরান আলোচনার জন্য এক মাসের সময় বেঁধে দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া, মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরান ও লেবাননে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করার শর্ত দিয়েছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, তিনি ইরানের প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখবেন। তবে তার মতে, এই প্রস্তাব মেনে নেওয়াটা প্রায় অসম্ভব।

শনিবার ইরানের তাসনিম ও ফারস নিউজ এজেন্সি এই প্রস্তাবের মূল বিষয়গুলো প্রকাশ করে।

তাসনিম জানায়, ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সব বিরোধ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মেটাতে হবে। এবারের আলোচনার লক্ষ্য কেবল ‘যুদ্ধবিরতি বাড়ানো’ নয়, বরং সরাসরি ‘যুদ্ধ শেষ করা’ হওয়া উচিত।

ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ইরানের চারপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া, ইরানের জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা।