ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo রাজনৈতিক দলের কোনো সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাজধানীতে কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ঈদের দিনেও ঝোড়ো বৃষ্টির পূর্বাভাস Logo বিশ্বকাপ নয়, আমরা যুক্তরাষ্ট্র বয়কট করব : ইরান ফুটবল প্রধান Logo পদ্মা সেতুতে একদিনে টোল আদায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা Logo ফরিদপুরে প্রজন্ম বিশ্ব জাকের মঞ্জিলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কেন্দ্র করে আজও ২৬ ফ্লাইট বাতিল Logo ২১ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক Logo লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের Logo বগুড়ার সান্তাহারে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি লাইনচ্যুত Logo ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্টের রুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন এর বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সোমবার (২ মার্চ) এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

রিটের বিরোধিতা করেন এনসিপির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির ও ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক দুটি রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই-খোদা রনি ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি রিট করেন। এতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল প্রার্থনা করা হয়।

অপরদিকে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আরেকটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম। তার আবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট আদেশ ও শপথের চিঠি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা বাতিল ঘোষণা করা উচিত।

এ ছাড়া ১৮ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে পৃথক আরেকটি রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। ওই রিটে জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল এবং এর কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এখন রুলের ওপর শুনানির পর আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক দলের কোনো সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্টের রুল

আপডেট সময় ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের চিঠি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীন এর বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এর আগে সোমবার (২ মার্চ) এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, সৈয়দ মামুন মাহবুব, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

রিটের বিরোধিতা করেন এনসিপির পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু এবং জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে মোহাম্মদ শিশির মনির ও ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক দুটি রিট দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই-খোদা রনি ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি রিট করেন। এতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ এবং গণভোট অধ্যাদেশের ৩ ধারা ও তফসিল সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, সে বিষয়ে রুল প্রার্থনা করা হয়।

অপরদিকে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের জন্য ১৬ ফেব্রুয়ারি দেওয়া চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আরেকটি রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী গাজী মো. মাহবুব আলম। তার আবেদনে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট আদেশ ও শপথের চিঠি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা বাতিল ঘোষণা করা উচিত।

এ ছাড়া ১৮ ফেব্রুয়ারি জনস্বার্থে পৃথক আরেকটি রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। ওই রিটে জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল এবং এর কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

রুলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এখন রুলের ওপর শুনানির পর আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে।