ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস Logo মাসের পরের অংশে ঘূর্ণিঝড়ের পাশাপাশি ভয়াবহ কালবৈশাখী আঘাত আনতে পারে Logo পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে ২,০২৮ কোটি টাকার নতুন প্রকল্প নিয়েছে সরকার Logo গ্রীষ্মের দাবদাহে আরাম দেবে ঠান্ডা ডাব-কফির শেক Logo দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা চিনিকলগুলো আবার সচল হওয়ার আশা তৈরি হয়েছে Logo ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম-এ আসছে বড় ধরনের পরিবর্তন Logo প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চলছে একনেকের বৈঠক Logo উচ্ছেদের কিছুদিন পরই ফের দখলে চলে যাচ্ছে ফুটপাত, থামছে না হকারদের Logo সিলেটে আলোচিত শিশু ফাহিমা হত্যার রোহমর্ষক বর্ণনা দিলো হত্যাকারী চাচা জাকির Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে শিশুদের মাদক থেকে বিরত রাখা জরুরি
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই

  • ডেস্ক :
  • আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক: পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় আগের মতোই কোনো উৎসে কর প্রযোজ্য হবে না।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের পক্ষ থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও প্রজ্ঞাপনের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তাহলে সেই বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এই সীমার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর কাটার কোনো সুযোগ নেই।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আরও ছাড়ের কথা উল্লেখ করেছে এনবিআর। চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে যদি শুধু পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে তার মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। এর মানে, এ ধরনের বিনিয়োগ থেকে আয় হলে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।

তবে পাঁচ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করলে করের হার বাড়বে। আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১০৫-এর বরাত দিয়ে এনবিআর জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে, সেই মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রযোজ্য হবে।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়। জানুয়ারি মাস থেকে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও বিনিয়োগকারীদের আলোচনায় আসে। এনবিআরের এই চিঠিকে সেই বিভ্রান্তি দূর করার স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীদের জন্য নির্ধারিত হলেও অন্য তিন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই বিনিয়োগ করতে পারেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বব্যাপী আজ উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস

সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই

আপডেট সময় ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক: পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ নয়, ৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় আগের মতোই কোনো উৎসে কর প্রযোজ্য হবে না।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এনবিআরের পক্ষ থেকে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। সেখানে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও প্রজ্ঞাপনের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ২০১৯ সালের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ যদি পাঁচ লাখ টাকা অতিক্রম না করে, তাহলে সেই বিনিয়োগ থেকে পাওয়া মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, এই সীমার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে কর কাটার কোনো সুযোগ নেই।

পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে আরও ছাড়ের কথা উল্লেখ করেছে এনবিআর। চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো নির্দিষ্ট আয়বর্ষে যদি শুধু পেনশনার সঞ্চয়পত্রে পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে থাকে, তাহলে তার মুনাফার ওপর উৎসে করের হার হবে শূন্য শতাংশ। এর মানে, এ ধরনের বিনিয়োগ থেকে আয় হলে কোনো উৎসে কর কাটা যাবে না।

তবে পাঁচ লাখ টাকার সীমা অতিক্রম করলে করের হার বাড়বে। আয়কর আইন ২০২৩-এর ধারা ১০৫-এর বরাত দিয়ে এনবিআর জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তির কোনো আয়বর্ষে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগ পাঁচ লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলে, সেই মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর প্রযোজ্য হবে।

সম্প্রতি সঞ্চয়পত্রের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক অসন্তোষ দেখা দেয়। জানুয়ারি মাস থেকে অনেক গ্রাহক অভিযোগ করে আসছিলেন, পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ থাকা সত্ত্বেও মুনাফার ওপর ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হচ্ছে। এতে বিভ্রান্তি তৈরি হলে বিষয়টি গণমাধ্যম ও বিনিয়োগকারীদের আলোচনায় আসে। এনবিআরের এই চিঠিকে সেই বিভ্রান্তি দূর করার স্পষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্র চালু রয়েছে। এগুলো হলো পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীদের জন্য নির্ধারিত হলেও অন্য তিন ধরনের সঞ্চয়পত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান উভয়েই বিনিয়োগ করতে পারেন।