ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: আইআরজিসি Logo সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৭০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হজযাত্রী Logo ১৪ হাজার ইয়াবাসহ ডিবির হাতে আটক মাদক কারবারি এক ব্যক্তি Logo পদ্মার পর এবার তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রকাশ পেল ‘Illuminate’ — ফুটবলের আবেগে নতুন সংগীতের আলো Logo সপ্তম দিনেও ডুয়েটে অচলাবস্থা, দাবি আদায়ে কঠোর অবস্থানে শিক্ষার্থীরা Logo মামলা নিষ্পত্তির আগেই সচিবালয় বিলুপ্ত, অস্বস্তিতে সংশ্লিষ্ট মহল Logo ইউরিয়া সারের সংকট মোকাবেলায় আমদানিতে মিলছে না সরবরাহকারীদের সাড়া Logo বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালীতে শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট Logo যাত্রাবাড়ীতে স্বর্ণের দুল ছিনতাই, পুলিশের তৎপরতায় আটক দুই ছিনতাইকারী
বিজ্ঞপ্তি :
গৌরবময় ৩৫ বছর! মাসিক অবাক পৃথিবী পত্রিকার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অগণিত পাঠক ও লেখককে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। 

পদ্মার পর এবার তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি থামানো না গেলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমানো সম্ভব।

বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের টঙ্গীতে নবনির্মিত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী ও খাল ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, পানি সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবহারের জন্য খাল খনন কর্মসূচি চলমান থাকবে। তিনি বলেন, “বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, না হলে ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ হবে।”

তিনি আরও জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর বাঁধ ও ব্যারাজ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে। তার মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজস্ব ব্যারাজ প্রকল্প সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনায় এই দুই নদীতে ব্যারাজ নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে। প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের কাজ ২০২৮ সালের শুরুতে শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তালগাছ রোপণ করেন এবং একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। সরকারের লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে এই ঘোষণাকে দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবায়ন হলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা চালালে পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে: আইআরজিসি

পদ্মার পর এবার তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ৯ ঘন্টা আগে

দেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও কৃষি খাতকে শক্তিশালী করতে পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি থামানো না গেলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কমানো সম্ভব।

বুধবার (২০ মে) গাজীপুরের টঙ্গীতে নবনির্মিত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী ও খাল ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। তার ভাষায়, পানি সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবহারের জন্য খাল খনন কর্মসূচি চলমান থাকবে। তিনি বলেন, “বর্ষার পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, না হলে ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও ভয়াবহ হবে।”

তিনি আরও জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর বাঁধ ও ব্যারাজ ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশে নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলছে। তার মতে, এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিজস্ব ব্যারাজ প্রকল্প সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পরিকল্পনায় এই দুই নদীতে ব্যারাজ নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তিনি দাবি করেন, শুষ্ক মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে এবং বর্ষায় অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণে এসব প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বক্তব্যে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও প্রশিক্ষণ জোরদার করা হচ্ছে। প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইউনিট ভবনের কাজ ২০২৮ সালের শুরুতে শেষ হবে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী তালগাছ রোপণ করেন এবং একটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। সরকারের লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষাকে একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে এই ঘোষণাকে দেশের পানি ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাস্তবায়ন হলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে।