• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • সরকারি চাকরিজীবীরা সম্পদের হিসাব জমার নির্দেশনার তোয়াক্কা করছে না 

     obak 
    30th May 2022 4:39 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিউজ ডেস্ক:বার বার তাগিদেও সম্পদের হিসাব জমা দিতে গড়িমসি করছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিগত ২০২১ সালের জুনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব বিবরণি জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের চিঠি দেয়। ওই চিঠির পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ দু-একটি মন্ত্রণালয়-বিভাগ, অধিদফতর কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসেও নতুন করে আবারো এই সংক্রান্ত চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু সরকারি চাকরিজীবীরা নিজেদের সম্পদের হিসাব জমা দিতে আগ্রহী নয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
    সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধান আগেও ছিল, এখনো আছে। প্রশাসনে সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিধিসমূহ কার্যকরভাবে অনুসরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সব মন্ত্রণালয়কে জোর নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের সকল সরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি ৫ বছর পর পর বাধ্যতামূলকভাবে সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ জারির প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব দেয়ার কোনো তাগিদ নেই।
    সূত্র জানায়, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এ চাকরিজীবীদের প্রতি ৫ বছর পর পর ডিসেম্বরে বাধ্যতামূলকভাবে সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধান থাকলেও কখনোই তা বাস্তবায়ন হয়নি। মূলত প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অনীহার কারণেই গুরুত্বপূর্ণ এই বিধি বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ফলে সরকার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদ অর্জনের উৎস সম্পর্কে অন্ধকারেই থাকছে। প্রশাসনের একদম উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে নিম্নপদের কর্মচারীরাও সম্পদের হিসাব দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে না। ফলে বিধান থাকলেও আচরণ বিধিমালা মূলত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় কিংবা বিভাগ ও গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নিচ্ছে না। তারা যদি নিজেদের সম্পদের হিসাব নেয়ার বিষয়টি গুরুত্বসহ চালু রাখতো তা হলে অন্যরাও অনুসরণ করতো। কিন্তু বাস্তবে তা নেই।
    সূত্র আরো জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি ১১, ১২ ও ১৩ তে সরকারি কর্মচারীদের স্থাবর সম্পত্তি অর্জন, বিক্রয় ও সম্পদ বিবরণী দাখিলের বিষয়ে নির্দেশনা আছে। সুশাসন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী উলিখিত বিধিসমূহ কার্যকরভাবে কর্মকর্তাদের অনুসরণের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়কে জোর নির্দেশনা দিয়েছেন। এমতাবস্থায় ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর আওতাভুক্তদের তাদের নিয়ন্ত্রণকারী প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়/দফতর/অধীনস্থ সংস্থায় কর্মরত সব সরকারি কর্মকর্তার সম্পদ বিবরণী দাখিল, উক্ত সম্পদ বিবরণীর ডেটাবেজ তৈরি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে স্থাবর সম্পত্তি অর্জন ও বিক্রয়ের অনুমতি গ্রহণের বিষয়ে ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর ১১, ১২ এবং ১৩ বিধি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হলো। এ ছাড়া সরকারি কর্মচারীর জমি/বাড়ি/ফ্ল্যাট/সম্পত্তি ক্রয় বা অর্জন ও বিক্রির অনুমতির জন্য আবেদনপত্রের নমুনা ফরম এবং বিদ্যমান সম্পদ বিবরণী দাখিলের ছকও চিঠির সঙ্গে পাঠানো হয়েছে।
    এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত (শৃঙ্খলা ও তদন্ত) সচিব ড. ফরিদ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের প্রতি ৫ বছর পর পর বাধ্যতামূলকভাবে সম্পদের হিসাব দেয়ার বিধান রয়েছে। সে কারণে গত বছর প্রথম চিঠি দেয়া হয়েছে। এ বছরে চলতি ৫ মার্চ সকল মন্ত্রণালয়কে আবারো একটি চিঠি দেয়া হয়েছে।

    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৪:২৭
    জোহর ১২:০৫
    আসর ৪:২৯
    মাগরিব ৬:২০
    ইশা ৭:৩৫
    সূর্যাস্ত: ৬:২০ সূর্যোদয় : ৫:৪২

    আর্কাইভ

    May 2022
    M T W T F S S
     1
    2345678
    9101112131415
    16171819202122
    23242526272829
    3031