• আজকের পত্রিকা
  • ই-পেপার
  • আর্কাইভ
  • কনভার্টার
  • অ্যাপস
  • পাল্টে যাচ্ছে রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা 

     obak 
    17th Apr 2022 4:29 am  |  অনলাইন সংস্করণ

    নিউজ ডেস্ক:রাজধানীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর ইতিহাস প্রায় দেড়শ বছরের। ক্রমবর্ধমান গ্রাহকবৃদ্ধি তো বটেই, খুঁটিতে ঝুলন্ত তারের সঙ্গে দিনে দিনে বেড়েছে একগুচ্ছ সেবা সংস্থার পরিকল্পনা ও সমন্বয়হীনতার বোঝাও। ঝুলন্ত তারে বিদ্যুৎ সরবরাহের এই সনাতন পদ্ধতি এবার রূপান্তরের যাত্রা শুরু হয়েছে। পুরো ঢাকার এসব ঝুলন্ত বিদ্যুতের লাইন এবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মাটির নিচে।

    ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি-ডিপিডিসি’র দুটি প্রকল্পের কাজে এতদিন ধীরগতি থাকলেও, তা জোরেশোরেই শুরু হয়েছে করোনার পর। নির্ধারিত রুটে প্রধান সড়কের দু’পাশ দিয়ে চলছে হরাইজোন্টাল ড্রিলিং ড্রাইভের মাধ্যমে আন্ডারগ্রাউন্ড হাইভোল্টেজ ক্যাবলিং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার কাজ।


    এতে ভূগর্ভস্থ লাইনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে গ্রিডসাবস্টেশন থেকে একেবারে গ্রাহক পর্যন্ত। কয়েকটি প্যাকেজে হবে কাজ। যার প্রথম ধাপে বসানো হবে ২৯ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ লাইন। রুট হবে, গাবতলী থেকে আজিমপুর এবং জাহাঙ্গীর গেট থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত।

    মাটির তলদেশে তার স্থাপনের পাশাপাশি জাহাঙ্গীর গেট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত খুঁটি ও সনাতন ট্রান্সফরমারের পরিবর্তে বসানো হচ্ছে আধুনিক আরএমইউ বা রিং মেইন ইউনিট, লো-টেনশন ডিস্ট্রিবিউশন বক্স এবং কিয়স্ক ট্রান্সফরমার। এরই মধ্যে কিছু যন্ত্রাংশ বসে গেছে। ২০টি আরএমইউ এর জায়গায় ১৩টি এবং ২৪টি এলটিডিবির মধ্যে ১০টির ভিত্তি শেষ। গেল জানুয়ারিতে চালু হয়েছে ফার্মগেটের এই আরএমইউ স্থাপনাটি।

    এ বিষয়ে ডিপিডিসির লাইন বিতরণ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক শাহেদ মাহবুব ভুঞা বলেন, এখন আন্ডারগ্রাউন্ড নেটওয়ার্কিং ইকুইপমেন্ট রাস্তার পাশে থাকবে খুবই কম। যেহেতু আমরা উন্নত ব্যবস্থাপনা স্থাপন করছি, এতে বৈদ্যুতিক ঝুঁকি নেই বললেই চলে। কেবলগুলো আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকায় জনগণের কোনোরূপ ঝুঁকির সৃষ্টি হবে না। এতে পুরো নেটওয়ার্ক যেমন উন্নত হবে, এর সাথে সাথে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎও চলে আসবে।

    সব ঠিক থাকলে ২০২৩ সালের মধ্যে গাবতলী থেকে আজিমপুর এবং জাহাঙ্গীরগেট থেকে বঙ্গভবন পর্যন্ত মূলসড়কে কোনো তার দৃশ্যমান থাকবে না বলে জানাচ্ছে ডিপিডিসি।

    ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন, প্রথম পর্যায়ে ধানমন্ডিকে আমরা স্মার্ট গ্রিডের আওতায় নিয়ে আসছি। এতে পাঁচটি সাবস্টেশন করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় যদি একটা লাইন বন্ধ হয়ে যায় তবে অন্য একটি লাইন থেকে অটোমেটিক বিদ্যুৎ চলে আসবে। আসলে এটা শেষ করার কথা ছিল এই বছরেই। কিন্তু আমরা এটাকে বাস্তবে রূপ দিতে বিস্তারিত পরিকল্পনা কমিশনে পাঠিয়েছি। আশা করছি ২০২৩ এর ডিসেম্বরের মধ্যে এটা শেষ করতে পারব।

    তিনি বলেন, শুধু বৈদ্যুতিক খুঁটিই নয়, সরিয়ে ফেলা হবে সেবা সংস্থা যেমন ডিশ বা ইন্টারনেটের তারও। আমরা অন্যদের সাথে কথা বলেছি, আমাদের খুঁটি থাকছে না। কাজেই আমরা ওই খুঁটিতে কিছু রাখবও না।

    পুরো ঢাকাকে ২০২৫ সাল এবং শিল্পনগরী নারায়ণগঞ্জে এই কাজ শেষ করতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময় প্রয়োজন বলে মত বিতরণ সংস্থার নীতিনির্ধারকদের।

    We use all content from others website just for demo purpose. We suggest to remove all content after building your demo website. And Dont copy our content without our permission.
    আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
    এই বিভাগের আরও খবর
     
    Jugantor Logo
    ফজর ৪:২৭
    জোহর ১২:০৫
    আসর ৪:২৯
    মাগরিব ৬:২০
    ইশা ৭:৩৫
    সূর্যাস্ত: ৬:২০ সূর্যোদয় : ৫:৪২

    আর্কাইভ

    April 2022
    M T W T F S S
     123
    45678910
    11121314151617
    18192021222324
    252627282930